Easy Solution

নিজের ফ্যাশন

 আমি সবসময় নিজের ইচ্ছে গুলোকে প্রাধান্য দিয়েছি। আমি লিখতে ভালোবাসি, তাই নিজের ভালো লাগা থেকে ব্লগিং শুরু।অনলাইন থেকে টাকা আয় করা যতটা সহজ মনে হয় ঠিক ততটা সহজ নয়। আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে কথাটা বলছি।

আমরা সবাই চাই পরিশ্রম ব্যাতিত সাফল্য যা মোটই সম্ভব নয়।"পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি "এই প্রবাদটা আমার বাস্তব জীবনে ব্যবহারই করি না

৮ম শ্রেনী কৃষি এসাইনমেন্ট উওর ২০২১

 তথ্যের উৎসঃ

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ



১ নং প্রশ্নের উত্তর : ধান, পাট, গম, আখ , চাষযােগ্য কৈ মাছ , মিষ্টি জাতের আম , মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে কৃষিবিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অবদান রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ৮৮ টি ইনব্রিড। ও ৬ টি উচ্চফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। পরমাণু শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮ টি গুরুত্বপূর্ণ। ফসলের মােট ১০৮ টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাঞ্চন করেছে এবং দেশের কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলছেন ।


২ নং প্রশ্নের উত্তর : আমাদের দেশের বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এসব নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। । কষিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য। উন্নত দেশের মতাে আমাদের দেশেও বিভিন্ন গবেষণা। ইনস্টিটিউট রয়েছে। এসব ইনস্টিটিউট ও প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য অবদান রেখে চলেছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ।

যা ১০৩ টিরও বেশি ফসলের কৃষি বিষয়ক গবেষণা | কার্যক্রম পরিচালক্ষ করে । প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের।

জয়দেবপুরে অবস্থিত। বর্তমানে বাংলাদেশের চারটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি | বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিজ্ঞান পড়ানাের পাশাপাশি | শিক্ষকগণ গবেষণা করে থাকেন। তাদের গবেষণায় প্রাপ্ত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে কষি। সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা কৃষকদেরকে অবহিত করেন।


৩ নং প্রশ্নের উত্তর : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকুল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযােগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন । বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১০৬ টি (৯৯ টি ইনব্রিড ও ৭ টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। তম্মধ্যে । বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কিরণ ও দিশারি’ নামের দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে ।


৪ নং প্রশ্নের উত্তর :  কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য যে যে জাত উদ্ভাবন করেছেন- যা কষকেরা মাঠে চাষাবাদ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তা। | নিচে বর্ণনা করা হল। ফুলের পরাগায়নের সময়। পিতৃগাছের গুণাগুণ যুক্ত হওয়ার সুযােগ থাকে কিন্তু | অঙ্গজ প্রজননে সে আশঙ্কা থাকে না । ফসলের বীজ | ও নতুন নতুন জাত উন্নয়ন , বীজ সংরক্ষণ, রােগ। -বালাইয়ের কারণ সনাক্তকরণ, ফসলের পুষ্টিমান। বাড়ানাে- এ সকল কাজই কৃষিবিজ্ঞানীরা করে থাকেন বিজ্ঞানীদের পরামর্শে কৃষকেরা কলা, আম, লিচু, কমলা , গােলাপ ইত্যাদির উৎপাদনে অঙ্গজ প্রজনন । ব্যবহার করে থাকেন । কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলাে কৃষকরা গ্রহণ করেছেন বলেই উচ্চ ফলনশীল ধান, গম, ভুট্টা, যব এইসব শস্যের উৎপাদনশীলতা আগের তুলনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। কৃষি বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ফুল, ফল , শাকসবজি ও বৃক্ষ বিদেশ থেকে এনে এদেশের কৃষিতে সংযােজন করেছেন। এগুলাের সাথে সংকরায়ন করে দেশীয় পরিবেশ সহনীয় নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন, | যেগুলাে এ দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।


৫ নং প্রশ্নের উত্তর : কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয় । কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীল্পি অন্যতম চালিকাশক্তি । জীবন জীবিকার পাশাপাশি আমাদের সার্বিক উন্নয়নে কৃষি । ওতপ্রােতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই কষির উন্নয়ন মানে | দেশের সার্বিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ । এদেশে শতকরা ৭৫ ভাগ লােক গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় ৫৯.৮৪% লােকের এবং শহর এলাকায় ১০.৮১ % লােকের কৃষিখামার রয়েছে। মােট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষিখাতের। অবদান ১৯.১% এবং কৃষিখাতের মাধ্যমে ৪৮.১% , মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। ধান, পাট, তুলা , আখ, ফুল ও রেশমগুটির চাষসহ বাগান সম্প্রসারণ , মাছ চাষ , সবজি চাষাবাদ ও পােস্টি, ডেইরী ও মৎস্য খামার করে মানুষ দিনকে দিনকে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। । দেশে পােষ্ট্রি একটি শিল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বাজারে মাছের একটা বড় অংশ এখন আসছে চাষকৃত মাছ থেকে। দেশ অজি চালে উদ্বৃত্ত; ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ ।


নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত এবং বিশ্বে সপ্তম । দেশে ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম । কৃষি উৎপাদনের এই অগ্রগতি গ্রামীণ মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন এনেছে। উৎপাদনে বৈচিত্র্য বেড়েছে, সেই সাথে প্রতিযােগীতা। বেড়েছে। একই সাথে বেড়েছে পুঁজির ব্যবহার । মাছি, মুরগি ও ডিম উৎপাদন প্রায় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে । তাই বলা যায়, এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের

৭ম শ্রেনী কৃষি এসাইনমেন্ট উওর ২০২১

 তথ্যের উৎসঃ

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ


১নং প্রশ্নের উত্তর

পরিবারের মৌলিক চাহিদা পূরণে কৃষকের ভূমিকা নিচে দেওয়া হল:-


মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো হলো:  (i) খাদ্য (ii) বস্ত্র (iii) বাসস্থান (iv) চিকিৎসা (v)  শিক্ষা


একজন কৃষক দেশের মানুষের চাহিদা পূরণ করে। কিন্তু দেশের চাহিদা পূরণ করার আগে সে তার পরিবারের চাহিদা পূরন করে। কৃষির মাধ্যমে আমাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা যেমন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা. বিনোদন ইত্যাদি পুরণ হয়ে ধাকে। বিভিন্ন ফসল উৎপাদন, পশুপাখি প্রতিপালন, মৎস্য চাষ ও বনায়নের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের পরিবারের সদস্যদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করে ধাকেন।


২নং প্রশ্নের উত্তর

তার কার্যক্রম পরিবারের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তাগুলো নিচে দেওয়া হল:


একজন আদর্শ কৃষক পরিবারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সচল করতে পারে। কৃষিকাজের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করে পরিবারের মৌলিক চাহিদাগুলো পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদন ক্রয়-বিক্রয়ের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে পারেন। এক্ষেত্রে উপার্জিত অর্থ পরিবারের যেকোনো ক্ষেত্রে সহজেই ব্যবহার করতে পারেন।


৩নং প্রশ্নের উত্তর

আমার গ্রামের অন্যান্য কৃষিজীবীদের স্বাবলম্বী করতে তিনি বিভিন্নভাবে সহায়তা করতে পারবেন।


কৃষি উন্নয়নের প্রয়োজনে এবং দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চাহিদা মেটাতে কৃষিভিত্তিক শিল্প যেমন- বস্ত্র, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কৃষিযস্ত্র ইত্যাদির গ্রকে একে বিকাশ ঘটতে লাগলো। বেশী উৎপাদনের জন্য পুঁজি বিনিয়োগ বাড়তে লাগল। যার ফলে অধিকাংশ মানুষ কৃষির দিকে ঝুকে পড়ে। একজন সার্থক কৃষক সঠিকভাবে কৃষিকাজ করে জন্যান্য কৃষিজীবিদের- আদর্শ হতে পারেন। অন্যসব কৃষকদেরও স্বাবলম্বী করতে পারেন।গ্রামের বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন। গ্রামের কুষকদের সঠিক তথ্য দিয়ে কৃষি কাজে সহায়তা করতে পারেন। যার ফলে, গ্রামের কৃষিজীবীরা বেশি ফসল উৎপাদন করতে পাররে। এভারে আনা কষিজীবিরাও স্বাবলম্বী হতে পারেন।



ষষ্ঠ শ্রেনী কৃষি এসাইনমেন্ট ২০২১

 তথ্যের উৎসঃ

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ



সূচনাঃকৃষি মানবজাতির আদিমতম

পেশা হিসেবে চিহ্নিত। মানুষের জীবনধারনের জন্য শষ্য উৎপাদন কিংবা গৃহপালিত পশু রক্ষণাবেক্ষনের জন্যে যথোচিত খাদ্য এবং প্রয়োজনীয় কাঁচামাল উৎপাদন ও সরবরাহসহ বহুবিধ উদ্দশ্যে প্রতিপালনের লক্ষ্যে কৃষিকার্য নির্বাহ করা হয়। আমাদের মৌলিক চাহিদা গুলো (যেমনঃখাদ্য,বস্এ,বাসস্থান চিকিৎসা ও শিক্ষা) বিভিন্নভাবে কৃষিকাজের মাধ্যমে আদিকাল থেকে পূরন হয়ে আসছে।আমাদের মৌলিক চাহিদা গুলো পূরনের মাধ্যমে কৃষি কাজ ও কৃষি শিল্পের পরিধি ব্যাখ্যা করা হলোঃ


মৌলিক চাহিদা -১(খাদ্য)ঃকৃষিই আমাদের খাবারের যোগান দেয়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় প্রধান খাদ্য হলো চাল। চাল থেকে ভাত তৈরি করা হয়।সেই ভাতের যোগান পাই কৃষিকাজে ধান চাষ করে। তাছাড়াও গম থেকে রুটি তৈরি করা হয়। গম চাষ হয় কৃষিতে।

ভুট্টাও তাই।শাকসবজি চাষ হয় কৃষিকাজে। তাছাড়া যেকোনো ধরনের ফলমূল মসলা সবকিছুই কৃষি নির্ভর। 


মৌলিক চাহিদা ২(বস্তু)ঃমানুষের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হলো বস্ত।আর বস্ত তৈরীর মূল উপকরন সুতা।আর এই সুতা তৈরী হয় পাট,তুলা রেশম, তিসি বা ফ্লাক গাছ থেকে।যার সবগুলো কৃষিযাত।


মৌলিক চাহিদা -৩ (বাসস্থান)

বাসস্থান মানুষের তৃতীয় মৌলিক চাহিদা হিসেবে যাকে গণ্য করা হয় তা হল বাসস্থান। বাসস্থান তৈরির প্রধান উপকরণ বিশেষ করে গ্রাম অঞ্চলে বাঁশ, কাঠ, খড়, বেত, গোলপাতা , ছন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় কৃষি পণ্য থেকে। এছাড়া শহরে ইটের গাঁথুনির বাড়িগুলােতে নকশা, ছাদ তৈরি ও দরজা জানালা তৈরিতে কাঠজাত কৃষিদ্রব্য ব্যবহার করা হয় ।


মৌলিক চাহিদা -৪ ( শিক্ষা)

শিক্ষা কথায় আছে, শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায় এবং একজন প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ দেশের সম্পদ। আর এই শিক্ষার প্রধান উপকরণ যেমন- কাগজ , পেন্সিল তৈরি হয় কৃষিদ্রব্য বাঁশ, কাঠ, আখের ছােবড়া, ধানের খড়, রাবার, আঠা ইত্যাদি কৃষি পণ্য থেকে আসে ।


মৌলিক চাহিদা-৫ ( চিকিৎসা )

চিকিৎসা চিকিৎসা হল মানুষের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক চাহিদা । রােগব্যাধির চিকিৎসার জন্য ওষুধ তৈরি হয়। এ ওষুধ মানুষের। চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। মানুষের সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য এবং রােগ প্রতিরােধ করার জন্য বর্তমানে অ্যালােপ্যাথি (হারবাল), হােমিওপ্যাথি ইউনানী , আয়ুবের্দিক বিভিন্ন ওষুধ তৈরি হয় কৃষিজাত দ্রব্য দিয়ে । এছাড়া জীবন রক্ষাকারী পেনিসিলিন তৈরি হয় এক ধরনের ছত্রাক উদ্ভিদ থেকে। আমলকি,হরতকি, বয়রা , থানকুনি পাতা , বাসক ইত্যাদির উদ্ভিদের ঔষধি গুণ রয়েছে; যা আমাদের বিভিন্ন রােগ-ব্যাধি হতে সুস্থ্য হতে সহায়তা করে ।


উপসংহার : কৃষি গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, শিম্পায়ন, দারিদ্র্য দূরীকরণ, গ্রামীণ নারী–পুরুষের এবং বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি সাধনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক ও টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে । আমাদের মােলিক চাহিদার সবগুলােই আমরা কৃষি থেকে পেয়ে থাকি। আশার কথা হলাে- বর্তমানে কৃষির পরিধি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষ আগের থেকে বেশি কৃষির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। তরুণ যুব সমাজ নিজেদেরকে কৃষি পেশায় নিয়ােজিত করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছে । সরকারি-বেসরকারিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের সব মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কৃষির অবদান দিন দিন বেড়েই চলছে।

৬ষ্ঠ শ্রেনী বাংলাদেশের ও বিশ্ব পরিচয়

 

তথ্যের উৎসঃ
নির্ধারিত কাজঃ
কাজের বর্ননাঃ
ভাষা আন্দোলন (১৯৫২)
ভাষা আন্দোলন বঙ্গবন্ধু মূখ্য উপস্থিত না থাকলেও আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৫২ সালে বঙ্গবন্ধু জেলে ছিলেন। তিনি জেলে থেকেই ভাষা আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য কাচামাল জুগিয়েছেন।১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তানের কর্মী সন্মেলনে গনতান্ত্রিক যুবলীগ গঠিত হয়।এই সন্মেলনে শেখ মুজিব কিছু প্রস্তাবনা গৃহীত করে।তারই প্ররনায় ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্র ভাষাকে বাংলা করার জন্য ছাএরা একএিত হয়ে মিছিল করে যাতে পুলিশের গুলিতে সালাম রফিক বরকত সহ নাম না জানা অনেক শহিদ হয়।

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন(১৯৫৪)
বাঙালির জাতীয় স্মরণীয় দিনগুলোর মধ্যে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অন্যতম।১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ যুক্তফ্রন্ট সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোটে জয় লাভ করে।কিন্তু পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠী এই জয় কে মেনে নিতে পারেনি।বরং বাঙালির ওপর আধিপত্য বিস্তার করে।মাএ আড়াই মাসের মধ্যে নির্বাচন বয়কট করে।এই নির্বাচন পর বঙ্গবন্ধুকে ৭ মাস কারাবন্দী করে রাখে।

বাঙালির মুক্তির সনদ (১৯৬৬)
১৯৬৫ সালে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যে যুদ্ধ হয়েছিল সে যুদ্ধের সময় পূর্ববঙ্গ বা তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ ছিল সম্পূর্ণ অরক্ষিত। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ অঞ্চলের সুরক্ষার কোন গুরুত্বই ছিল না। ভারতের দয়ার উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছিল পূর্ব বাংলাকে। ভারত সে সময় যদি পূর্ববঙ্গে ব্যাপক আক্রমণ চালাত, তাহলে ১২শ মাইল দূর থেকে পাকিস্তান কোনভাবেই এ অঞ্চলকে রক্ষা করতে পারত না।
আর এরই প্রক্ষাফটে বাঙালির জন নেতা শেখ মুজিবর রহমানের বাঙালির অধিকার ৬দফা দাবি উপস্থাপন করে।

গনঅভ্যুত্থানে (১৯৬৯)
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান তথা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক মুক্তি সংগ্রামের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে এই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে।আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু কে মুক্তি দেওয়াই ছিলো এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য।
সাধারণ নির্বাচন (১৯৬৯)
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক। সামরিক শাসন এবং পাকিস্তানী সামরিক জান্তার গণতন্ত্র বিরোধী অপশাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনের পর আসে ওই নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক আইনসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। জাতীয় পরিষদের ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টিতে এবং প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসনে জয় লাভ করে আওয়ামী লীগ।

স্বাধীনতার ঘোষণা
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন। গ্রেফতার হবার একটু আগে শেখ মুজিবর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান। শেখ মুজিব গ্রেফতার হবার পূর্বে ২৫মার্চ রাত ১২টার পর (অর্থাত,২৬মার্চ) টি.এন্ড.টি ও ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ই.পি.আর) ওয়্যারলেসের মাধ্যমে মেসেজে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন(বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ দলিলপত্র,১৫শ খন্ড,পৃ:৫৬)। ২৫ মার্চ রাতের হত্যাযজ্ঞে আওয়ামী লীগের অনেক প্রধান নেতা ভারতে আশ্রয় নেয়। ২৬শে মার্চ চট্টগ্রাম বেতারের কয়েকজন কর্মকর্তা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম.এ.হান্নান প্রথম শেখ মুজিব এর স্বাধীনতার ঘোষণা পত্রটি মাইকিং করে প্রচার করেন। পরে মার্চ ২৭ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর এক বাঙালি মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ মার্চ রাতে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। (সূত্র : মেজর জিয়া'র বেতার ঘোষনা এবং বেলাল মাহমুদের সাক্ষাত্কার) এই সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন কর্ণেল অলি আহমেদ (তত্কালীন ক্যাপ্টেন)। সরাসরি সেনাবাহিনীর থেকে আহব্বান পাওয়ার পর সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটে এবং দেশের মানুষ নিশ্চিত হয় যে স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধে শুরু হয়ে গেছে।

অস্থায়ী সরকার গঠন
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার -এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমা (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথ তলার অন্তর্গত ভবেরপাড়া গ্রামে। শেখ মুজিবুর রহমান এর অনপুস্থিতিতে তাকে রাষ্ট্রপতি করে সরকার গঠন করা হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দ্বায়িত্ব নেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব অর্পিত হয় তাজউদ্দীন আহমদ এর উপর।

যুদ্ধক্ষেত্র
১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র ভূখন্ডকে বিভিন্ন যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয। শেখ মুজিব রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং অপার ভালোবাসা,বাঙালি মুুুুক্তিকামি মানুুষের    মধ্যে  স্বাধীন চেতনা জাগ্রত করে।যার ফলাফল আমরা পাই স্বাধীনতা।

৬ষ্ঠ শ্রেণী ইংরেজি এসাইনমেন্ট উওর, ২০২১

 Source of Information:

Assigned task:

Description of task:  

 """ My first day at school"""

There are many beautiful memories in human life.while some memories are forgotten, some other memories are so important and heart touches that which is not forgotten and remains fresh ever.The memory of my first day at school is still fresh in my heart. 

My first day at school is one of the most fearful days of my life.Besides it is a memoriable day of my life.The day was Saturday, 2 january, 2016.I went to my village primary school with my brother.I have gone there on  foot.I had many unknown fears.After reaching school,i saw some students were playing in the field.


Then, we went to the teachers common room.There we meet some teacher. The bell rang as soon as i entered the room.Then a new teacher come. He was our english teacher.I enjoyed the class. Really the teacher were very friendly  to us. All my fears disappeared after the class.He told us about many rules and important things.At least final bell rang.

I had find some friends among them i had a especial friend for ever.I never forget the sweet memories of the first day at school.


৭ম শ্রেনী ইংরেজি এসাইনমেন্ট উওর,২০২১

Source of information:

Assigned task:

Description of task:

Stranger:Good morning, Can i know what is the name of your school?

My self:Yes,Nichahara S.K High            

               School.

Stranger:Can you tell me the way of

                Your school?It will be helpful to me.

My self: Sure,i will give you the 

              direction to my school.

Stranger:How much time its take to   

                reach our school?

My self: Its take at lest 15 minutes

              to reach there from my 

               home.

Stranger:By any transportation?

                How much it takes time?

My self: It takes 5 to 7 minutes as 

              usual by rickshaw.

Stranger:Please tell me the way.

My self:Go straight until you reach 

             in front of hospital then take      a turn and go to straight. 

Stranger:Then?

My self:Then you will find a post 

              office. My schoo is in fornt

             of the post office. 

Stranger:Thank you so much for

                your help.

My self:My pleasure.Bye.

৮ম শ্রণী ইংরেজি এসাইনমেন্ট উওর ২০২১

 Source of information:Lesson(1-6)

Assigned task:About Ethnic People 

                           Life Style.

Description of task:

  "Ethnic people of Bangladesh"


Ethnic group means one kinds of tribe or community of people.They are different from us.The religion is different from our.They are the very important part of our culture. They have different cultures and tradition.

There cloth, jewellery, cooking and eating habits are different from us.several ethnic groups live Bangladesh. Among the ethnic people the most well known are Chakma, Marma,Tipperary,Garo,Manipuri and santal.


Dress of ethnic people:people of different ethnic groups wear different clothe.such as, Chakma’s wear pinon and khadi and men wear duti.Murma wear (which is called thumbi the lower part and angi  the upper part).Tripuri women wear Renai and Risa.They also wear a ring called Natang.


Food of ethnic people:There are many variations in the dite of the ethnic people.Garo's special food is bamboo skewers.the Khasi tribes consider pan supari to be sacred.Mros eat other food but one of their food called nappi.Other also eat ordinary food.


Culture of ethnic people:The culture of ethnic people is completely different from that of ordinary people.They usually celebrate different festivals in different seasons.But most of them culture festivals revolve around their masters.Tripuli's main festivals is 'Buishu'.Marmas have many festivals during the year,but sangrai is regarded as the biggest celebratation among them.


Sports of ethnic people:Dancing with various physical exercise to call ethnic people's sports.They usually dance to the beat of song.Wrestling is a popular sports of them.However,they play a special game called jolkeli.


Pastimes of ethnic people:Hunting and fishing are their pastimes.Marma men drink wine and play card games in leisure time.


Ethnic people are part and parcel in our ordinary people. We should make chance to celebrit their culture.   


৬ষ্ঠ শ্রনী ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট।

 তথ্যের উৎসঃ

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ

মহান আল্লাহ তাআলা একক সওা ও তার গুনাবলিতে ও তুলনাহীন।বিশাল এই পৃথিবী চলছে এক অখন্ড নিয়মে।কোথায় ও কোনো এুটি বিচ্যুতি নেই।সময়ের একটা সেকেন্ড কোনো অনিয়ম নেই।আর আমাদের চারপাশে তাকালে দেখতে পাই সৃষ্টির অপার বৈচিএ।এগুলো কাহারো না কাহারো সৃষ্টি আর এগুলো কাহারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।আর তিনি হলেন আমাদের স্রষ্টা মহান আল্লাহ তাআলা। এই কথাটির প্রতি বিশ্বাসই হলো তাওহীদ। 

তাওহীদ আরবি শব্দ।যার মানে একাত্ববাদ

ইসলামের পরিভাষায় আল্লাহ এক অদ্বিতীয়,কোনো শরিক নেই,পালন কর্তা,রিযিক দাতা ইত্যাদি মনে প্রানে বিশ্বাস করাই হলো তাওহীদ। 

কালেমা তায়িব্যাতে আল্লাহর একাত্ববাদের কথা সুস্পষ্ট ভাবে আছে।

কালেমা তায়িব্যাকে ভাঙলে দুটো ভাগ পাওয়া যায়।

১ম অংশঃ"লা ইলাহ ইল্লাল্লাহু "অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ বা ইলাহ নেই। আর বিশদ ভাবে বললে, আমারা যা দেখি আর যা দেখি না তার সবকিছুর মালিক মহান আল্লাহ তাআলা। এর অংশীদার কেউ নেই।

২য় অংশঃ'মুহাম্মাদুর রাসূল্লাহ'এই অংশে আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাঃ কে আল্লাহ প্রেরিত রাসূল ও বান্দা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।যিনি তাওহীদের প্রচার করতেন।

অন্যদিকে কালিমায়ে শাহাদাত বলা আছে,আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। তার কোনো শরীক নেই।আল্লাহর একাত্ববাদের পুরো ব্যাখ্যা কালিমায়ে শাহাদাতের অন্তর্ভুক্ত। 

পৃথিবী একটি সুষ্ঠ নিয়মে চলছে। যা একমাএ মহান আল্লাহর কুদরতি শক্তিতে সম্ভব।

তাই উপরের আলোচনা আলোকে বলা যায় আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। সকল ইবাদত তাহারই জন্য তাহার সমকক্ষ কেউ নেই।


নবম শ্রেনির বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২১

  তথ্যের উৎসঃ

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ


 A book is like a garden carried in the pocket. – Chinese prover


বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না।


একদিন হয়তো পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে, কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনো নিঃশেষ হবেনা, তা চিরকাল হৃদয় জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে। 

বিখ্যাত রুশ সাহিত্যিক টলস্টয় এর একটি বিখ্যাত উক্তি হচ্চে "জীবনে মাএ তিনটি জিনিস প্রয়োজন বই বই এবং বই।

বই আমাদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বলা হয়ে থাকে যে,আপনি যখন একটি বই খুলবেন,আপনি একটি নতুন বিশ্ব খুলবেন।


ব্যায়াম যেমন আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনি বই পড়ার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের মনকে সুস্থ ও আনন্দিত রাখতে পারি।


একটি ভালো বই মানুষের মনশ্চক্ষু যেমন খুলে দেয়, তেমনি জ্ঞান ও বুদ্ধি কে প্রসারিত ও বিকশিত করে মনের ভিতর আলো জ্বালাতে সাহায্য করে।


আর্থিক অনটনের কারণে অর্থকরী নয় এমন সবকিছুই এদেশে অনর্থক বলে বিবেচনা করা হয়। সেজন্য বই পড়ার প্রতি লোকের অনীহা দেখা যায়।


শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে লব্ধ শিক্ষা পূর্ণাঙ্গ নয় বলে ব্যাপকভাবে বই পড়া দরকার।



 

যথার্থ শিক্ষিত হতে হলে মনের প্রসার দরকার। তার জন্য বই পড়ার অভ্যাস বাড়াতে হবে।


এর জন্য লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন।



বই-ই হচ্ছে মানুষের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। যার সাথে পার্থিব কোনো সম্পদের তুলনা হতে পারে না।


একদিন হয়তো পার্থিব সব সম্পদ বিনষ্ট হয়ে যাবে, কিন্তু একটি ভালো বই থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কখনো নিঃশেষ হবেনা, তা চিরকাল হৃদয় জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখবে।


Reading is to the mind what exercise is to the body.- Joseph Addison

বাধ্য না হলে লোকে বই পড়ে না। লাইব্রেরীতে লোকে নিজের পছন্দ অনুযায়ী বই পড়ে যথার্থ শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে।


প্রগতিশীল জগতের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য সাহিত্যচর্চা করা আবশ্যক।


কেননা, সাহিত্যচর্চা হচ্ছে শিক্ষার সর্ব প্রধান অঙ্গ। আর সাহিত্য চর্চা করার জন্যই আমাদের বই পড়তে হবে।


একই কারণে লাইব্রেরীর প্রতিষ্ঠা আবশ্যক। বইয়ের ভেতরে থাকে অজানা তথ্যের খাজানা ।


যখন আমরা বই পড়বো তখন বইটির ভিতরে থাকা নানা ধরনের তথ্যের সাথে পরিচিতি লাভ করতে পারব ।


হোক সেটি ফিকশন কিংবা ননফিকশন , বই-ই পারে একজন মানুষকে যথার্থ জ্ঞানী বানাতে ।


আর জ্ঞান সবসময় একজন মানুষকে সমৃদ্ধ করে । বই নতুনভাবে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে ও মস্তিষ্ককে চিন্তা করতে উপযোগী করে গড়ে তোলে ।


” The art of reading is in great part that of acquiring a better understanding of life from one’s encounter with it in a book .“

– Andre Maurois

স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব:

বইয়ের ভেতরে যে জগতের বর্ণনা থাকে আমরা বই পড়ার মধ্যে দিয়ে সেই জগতটির সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে পারি ।


কখনো কখনো বই আমাদের একটি ছোট্ট ভ্যাকেশনে নিয়ে যায় । কারন পড়ার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে যেতে পারি ।


বই-এই ভিতরে থাকা নতুন জগতের নতুন চিত্র , নতুন বর্ণনা নতুন নতুন ভাবে উপলব্ধি করতে পারি ।


ফলে আমাদের মনন জগতের কল্পনা শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করে ।



 

বই আমাদের মস্তিষ্কের নতুন নতুন কানেকশন তৈরি করে , ফলে আমাদের নতুন করে জানার আগ্রহ , মনে রাখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় ।


দেশি বিদেশি বিভিন্ন ভাষার বই পড়লে আমাদের ঝুলিতে নতুন নতুন শব্দের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে । লেখক যখন বই লেখেন তিনি অনেক বিষয় নিয়ে গবেষণা করে থাকেন ,


শব্দ নিয়েও তাঁর গবেষণা কম থাকে না। আর আমরা বইপড়ার মাধ্যমে সেই শব্দগুলি সহজেই শিখে নিতে পারি ।


ফলে কথা বলার সময় সেই শব্দগুলি ব্যবহার করে আমরা আমাদের বাচনভঙ্গিকে স্পষ্ট , সুন্দর ও তাৎপর্যমন্ডিত করতে পারি ।


আর যে ব্যক্তি অনেক বই পড়ে থাকেন তিনি খুব সহজেই অন্যের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে পারেন ।


এতে ব্যক্তিজীবন উন্নত হয় এবং আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যায় । নতুন ভাষা শিখতেও বই পড়া আবশ্যক। তাইতো, স্বশিক্ষা অর্জনে বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম।