Easy Solution

৮ম শ্রনীর ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট ২০২১

 তথ্যের উৎসঃপ্রথম অধ্যায় আকাইদ

                    পাঠ(১-৩)

নির্ধারিত কাজঃ

কাজের বর্ননাঃ

আমার ঘনিষ্ঠ সহপাঠীর আচরণে কপটতা, ভন্ডামি ও দ্বিমুখী নীতি প্রভৃতি লক্ষণ প্রতিফলিত হয়েছে। যাদের মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে তারা-ই মুনাফিক।। নৈতিক ও মানবিক আদর্শের বিপরীত কাজ করাই এদের ধর্ম। মুনাফিকরা মুখে ভাল কথা বললেও তাদের অন্তর থাকে কুফরিতে পূর্ণ। এমন মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে আমার সহপাঠীর আচরণে।। আমার সহপাঠী প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। এগুলাে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। কারণ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি। মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা এবং আমানতের খিয়ানত করা। এই লক্ষণগুলাে যখন কারও মধ্যে দেখা। যায় তখন তাকে মুনাফিক বলে। সুতরাং আমার সহপাঠী আচরণে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। হাদিসে মুনাফিকদের চরিত্রকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে-


“মুনাফিকের নির্দশন তিনটি – যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে  তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার নিকট কোনাে কিছু গচ্ছিত রাখা হয় তখন তার  খিয়ানত করে।” (সহিহ বুখারি ও সহিহ্ মুসলিম)।

নিফাক একটি মারাত্মক পাপ। এটি নৈতিকতা ও মানবিকতার বিপরীত কাজ। নিফাকের ফলে মানুষ অন্যায় ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবােধ বিনষ্ট হয়। নিফাকের দ্বারা মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দের সৃষ্টি হয়। ফলে মানব সমাজে মারামারি, হানাহানি ও অশান্তির সৃষ্টি। হয় মুনাফিকরা ইসলামের চরম শত্র। তারা বন্ধুবেশে মুসলমানদের বড় ধরনের। ক্ষতি সাধন করে। এর কারণে সমাজে নানা ধরনের অন্যায় ও অনৈতিক কাজের। | প্রসার ঘটে। এজন্যই দুনিয়াতে মুনাফিকরা ঘৃণিত মনে হয় এবং আখেরাতেও। তাদের জন্য কঠোর আযাব প্রস্তুত রয়েছে। আমার সহপাঠী প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। এগুলাে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। আমার ঘনিষ্ঠ সহপাঠীর আচরণে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে। উপরের আলােচনা থেকে বলা যায় যে, আমার সহপাঠীর মুনাফিকির পরিনাম অত্যন্ত ভয়াবহ।


 মুনাফিকদের অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন – “যখন তারা (মুনাফিকরা) ইমানদারদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে। আমরা ইমান এনেছি। আর যখন তারা গােপনে তাদের শয়তানদের সাথে মিলিত হয তখন বলে, আমরা তােমাদের সাথেই আছি। আমরা শুধু তাদের সাথে ঠাট্টাতামাশা করে থাকি।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৪)।


মুনাফিকির পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।” (সূরা আন-নিসা, আয়া-১৪৫)।

মুনাফিকির আচরণ দূর করার উপায়:

১. কথা বলার সময় সত্য কথা বলবে, মিথ্যা কথা বলবে না।


২. কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করবে।


৩. আমানত রক্ষা করবে। যেমন কারাে কাছে কোনাে জিনিস ও সম্পদ আমানত রাখলে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবে এবং ফেরত দিবে। কারাে সাথে কথা দিলে তা রক্ষা করবে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করবে না।।


আমার সহপাঠীকে মুমিন করার জন্য আমার কর্মপরিকল্পনা:

১। সহপাঠীকে সত্য কথা বলার জন্য উৎসাহিত করব এবং সত্য কথা বলার। সুফল বােঝানাের চেষ্টা করব।


২। তাকে মিথ্যা বলতে নিরুৎসাহিত করব এবং মিথা বলার পরিণতি সম্পর্কে। ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।


৩। কারাে সাথে ওয়াদা করলে তা রাখার গুরুত্ব বােঝাব এবং ওয়াদা না রাখার পরিণাম সম্পর্ক ধারণা দিব।


৪। আমানতের গুরুত্ব বােঝানাের চেষ্টা করব এবং আমানতের খেয়ানত করার। কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করব।

৭ম শ্রেনি ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্ট, ২০২১

 তথ্যের উৎসঃপ্রথম অধ্যায় আকাইদ

                    পাঠ(১-৩)

কাজের বর্ননাঃ

আমার ঘনিষ্ঠ সহপাঠীর আচরণে কপটতা, ভন্ডামি ও দ্বিমুখী নীতি প্রভৃতি লক্ষণ প্রতিফলিত হয়েছে। যাদের মধ্যে এসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে তারা-ই মুনাফিক।। নৈতিক ও মানবিক আদর্শের বিপরীত কাজ করাই এদের ধর্ম। মুনাফিকরা মুখে ভাল কথা বললেও তাদের অন্তর থাকে কুফরিতে পূর্ণ। এমন মানসিকতারই বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে আমার সহপাঠীর আচরণে।। আমার সহপাঠী প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। এগুলাে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। কারণ মুনাফিকের চিহ্ন তিনটি। মিথ্যা বলা, ওয়াদা ভঙ্গ করা এবং আমানতের খিয়ানত করা। এই লক্ষণগুলাে যখন কারও মধ্যে দেখা। যায় তখন তাকে মুনাফিক বলে। সুতরাং আমার সহপাঠী আচরণে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য প্রকাশ পেয়েছে। হাদিসে মুনাফিকদের চরিত্রকে এভাবে বর্ণনা করা হয়েছে-


“মুনাফিকের নির্দশন তিনটি – যখন কথা বলে মিথ্যা বলে, ওয়াদা করলে  তা ভঙ্গ করে এবং যখন তার নিকট কোনাে কিছু গচ্ছিত রাখা হয় তখন তার  খিয়ানত করে।” (সহিহ বুখারি ও সহিহ্ মুসলিম)।

নিফাক একটি মারাত্মক পাপ। এটি নৈতিকতা ও মানবিকতার বিপরীত কাজ। নিফাকের ফলে মানুষ অন্যায় ও অশ্লীল কাজে লিপ্ত হয়ে পড়ে। ফলে মানুষের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবােধ বিনষ্ট হয়। নিফাকের দ্বারা মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস ও সন্দের সৃষ্টি হয়। ফলে মানব সমাজে মারামারি, হানাহানি ও অশান্তির সৃষ্টি। হয় মুনাফিকরা ইসলামের চরম শত্র। তারা বন্ধুবেশে মুসলমানদের বড় ধরনের। ক্ষতি সাধন করে। এর কারণে সমাজে নানা ধরনের অন্যায় ও অনৈতিক কাজের। | প্রসার ঘটে। এজন্যই দুনিয়াতে মুনাফিকরা ঘৃণিত মনে হয় এবং আখেরাতেও। তাদের জন্য কঠোর আযাব প্রস্তুত রয়েছে। আমার সহপাঠী প্রায়ই মিথ্যা কথা বলে এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে। এগুলাে মুনাফিকের বৈশিষ্ট্য। আমার ঘনিষ্ঠ সহপাঠীর আচরণে এ বিষয়টিই ফুটে উঠেছে। উপরের আলােচনা থেকে বলা যায় যে, আমার সহপাঠীর মুনাফিকির পরিনাম অত্যন্ত ভয়াবহ।


 মুনাফিকদের অবস্থা সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন – “যখন তারা (মুনাফিকরা) ইমানদারদের সাথে মিলিত হয় তখন বলে। আমরা ইমান এনেছি। আর যখন তারা গােপনে তাদের শয়তানদের সাথে মিলিত হয তখন বলে, আমরা তােমাদের সাথেই আছি। আমরা শুধু তাদের সাথে ঠাট্টাতামাশা করে থাকি।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৪)।


মুনাফিকির পরিণাম সম্পর্কে আল্লাহ তায়ালা বলেন, “নিশ্চয়ই মুনাফিকদের স্থান জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।” (সূরা আন-নিসা, আয়া-১৪৫)।

মুনাফিকির আচরণ দূর করার উপায়:

১. কথা বলার সময় সত্য কথা বলবে, মিথ্যা কথা বলবে না।


২. কাউকে কথা দিলে তা রক্ষা করবে।


৩. আমানত রক্ষা করবে। যেমন কারাে কাছে কোনাে জিনিস ও সম্পদ আমানত রাখলে তা যথাযথভাবে সংরক্ষণ করবে এবং ফেরত দিবে। কারাে সাথে কথা দিলে তা রক্ষা করবে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্ট করবে না।।


আমার সহপাঠীকে মুমিন করার জন্য আমার কর্মপরিকল্পনা:

১। সহপাঠীকে সত্য কথা বলার জন্য উৎসাহিত করব এবং সত্য কথা বলার। সুফল বােঝানাের চেষ্টা করব।


২। তাকে মিথ্যা বলতে নিরুৎসাহিত করব এবং মিথা বলার পরিণতি সম্পর্কে। ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করব।


৩। কারাে সাথে ওয়াদা করলে তা রাখার গুরুত্ব বােঝাব এবং ওয়াদা না রাখার পরিণাম সম্পর্ক ধারণা দিব।


৪। আমানতের গুরুত্ব বােঝানাের চেষ্টা করব এবং আমানতের খেয়ানত করার। কুফল সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করব।

৬ষ্ঠ শ্রেনীর বাংলা এসাইনমেন্ট

তথ্যের উৎসঃব্যাকরন ভাষা ও বাংলা 

                    ভাষা

নির্ধারিত কাজঃ সাধু ভাষা থেকে চলিত 

                         ভাষায় রূপান্তর 

কাজের বর্ননাঃ

তারপর স্বর্গীয়দূত যে টাকাওয়ালা ছিল,তার কাছে গেলেন।সেখানে গিয়ে আগের মত একটি গাভী চাইলেন।সেও ধবল রোগীর মতো তাকে কিছুই দিলোনা।তখন স্বর্গীয় দূত বললেন, আচ্চা,তুমি যদি মিথ্যা বলে থাক,তবে যেমন ছিলে আল্লাহ আবার তোমায় তেমনি করবেন।

তারপর স্বর্গীয় দূত যে অন্ধ ছিলো, তার কাছে গিয়ে বললেন, আমি এক বিদেশি বিদেশে আমার সম্বল ফুরিয়ে গিয়েছে।এখন আল্লাহর দয়া ছাড়া আমার দেশে পৌছবার মত আর কোন উপায় নেই।যিনি তোমার চোখ ভালো করে দিয়েছেন,আমি তোমাকে সেই আল্লাহর দোহাই দিয়ে একটি ছাগল চাচ্ছি,যেন আমি সে ছাগল বেচা টাকা দিয়ে দেশে ফিরে যেতে পারি।

৮ম শ্রেনি বাংলা এসাইনমেন্ট, ২০২১

 তথ্যের উৎসঃগদ্য পড়ে পাওয়া

নির্ধারিত কাজঃকুড়িয়ে পাওয়া জিনিস

                        প্রকৃত মালিকে ফেরত   

                        দেওয়ার ধাপসমূহ।

কাজের বর্ননাঃ

বিভূতিভূষন বন্দ্যোপাধ্যায় এর পড়ে পাওয়া গল্প থেকে আমরা শিখতে পারছি কিভাবে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস প্রকৃত মালিকে ফেরত দিতে শিখেছি।তাছাড়া গল্পটি আমাদের নৈতিক গুনাবলি চর্চা ও শিখায় তারই আলোকে মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়ার আলোকপাত করছি।



 প্রথম ধাপ বা উপায়: স্কুলের যদি প্রচারণার জন্য মাইক থাকে তাহলে সেই মাইকে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে হবে- “একটি হারানাে বিজ্ঞপ্তি, স্কুলের মাঠে একটি মােবাইল ফোন পাওয়া গিয়েছে। যথাযথ তথ্য সাপেক্ষে স্কুলের অফিস কক্ষ থেকে ইহার মালিককে মােবাইল ফোনটি গ্রহণ করার জন্য বলা যাচ্ছে।” আর যদি মাইক না থাকে তাহলে সবার উদ্দেশ্যে তা উচ্চকণ্ঠে বলতে হবে।


 দ্বিতীয় ধাপ বা উপায়: প্রত্যেক ক্লাস রুমে গিয়ে বলতে হবে- “আমরা একটি মােবাইল ফোন পেয়েছি। কারাে মােবাইল ফোন হারিয়ে গেলে আমাদের সাথে যােগাযােগ করবেন। যথাযথ তথ্য সাপেক্ষে ইহার মালিককে মােবাইল ফোনটি

‘ দেওয়া হবে।”


 তৃতীয় ধাপ বা উপায়: মানুষকে জানানাে যে, “আমরা একটি মােবাইল ফোন পেয়েছি। কেউ মােবাইল ফোন খুঁজলে আমাদের কথা বলবেন যে, আমরা মােবাইল ফোনটি পেয়েছি। যথাযথ তথ্য সাপেক্ষে তাকে আমরা মােবাইল ফোনটি দিয়ে দিব।


 চতুর্থ ধাপ বা উপায়: মােবাইল ফোনের নম্বর বের করে তার মােবাইল ফোনের মালিক)। নিকটতম লােকের নম্বর বের করে তাকে ফোন দিয়ে জানতে হবে যে, ‘এই ফোনটি কার তার সঠিক পরিচয় নেওয়া।


 পঞ্চম ধাপ বা উপায়: এলাকার দেওয়ালে পােস্টার মেরে মানুষকে জানিয়ে দেওয়া যে, “একটি মােবাইল ফোন পাওয়া গিয়েছে। যথাযথ তথ্য সাপেক্ষে ফোনটির মালিককে মােবাইল ফোনটি দেওয়া হবে।


 ষষ্ঠ ধাপ বা উপায়: প্রধান শিক্ষককের কাছে ফোনটি জমা দেওয়া এবং স্যারকে বলা যে, আমরা এটি কুড়িয়ে পেয়েছি। কেউ খোঁজ করলে যাচাই করে ফোনের মালিককে দয়া করে ফোনটি দিয়ে দিবেন।


 সপ্তম ধাপ বা উপায়: ফোনটি নিকটতম থানায় জমা দেওয়া। যাতে তারা আসল মালিককে সনাক্ত করে মােবাইল ফোনটি দিয়ে দিতে পারে।


উপরের কার্যক্রম গুলো চালিয়ে গেলে প্রকৃত মালিকে খোঁজে বের করা সম্ভব 

৭ম শ্রেনি বাংলা এসাইনমেন্ট ২০২১

 

তথ্যের উৎসঃগদ্য কাবুলিওয়ালা গল্প
                    এবং সাধু ও চলিত ভাষা
নির্ধারিত কাজঃযৌক্তিকতা নিরুপন,
                        শব্দের দৃষ্টান্ত , সাধু
                        ভাষার বৈশিষ্ট্য
কাজের বর্ননাঃ
সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্যঃ
১.সাধু ভাষা সুনির্ধারিত ব্যাকরনের অনুসারী
২.সাধু ভাষা উচ্চারনে গুরুগম্ভীর।
৩.সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদের রূপ পূর্নাঙ্গ।
৪.সাধু ভাষায় তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশি
৫.সাধু ভাষা নাকট ও বক্তৃতা অনুপযোগি

সাধু ভাষার যােক্তিকতা নিরূপণঃ আমরা জানি সাধু ভাষায় সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়। অনুচ্ছেদটিতেও সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে। যেমন: তাহা, আসিয়া, করিয়া ইত্যাদি।সাধু ভাষায় অনুসর্গের পূর্ণাঙ্গ রূপ ব্যবহৃত হয়।অনুচ্ছেদটিতে দিয়া অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।এছাড়াও অনুচ্ছেদ এ কিছু তৎসম শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে।যেগুলাে দেখে আমরা বুঝদে পারি অনুচ্ছেদটি সাধু ভাষায় লেখা হয়েছে।সুতরাং যােক্তিতা নিরূপণ করা হলাে।

শব্দগুলোর দৃষ্টান্তঃ
১.সর্বনাম শব্দঃ তাহা
২.ক্রিয়াঃ পাইলাম, আসিয়া, দিয়া, করিয়া, লইয়াছে।
৩.অব্যয়ঃ সহিত, ইতােমধ্যে
৪.তৎসম শব্দঃ সাক্ষাৎ,ক্ষুদ্র, হৃদয়

কুইজ পর্ব ৪

.”মানুষের অন্তর্নিহিত পরিপূর্ণ বিকাশই হল শিক্ষা।” – স্বামী বিবেকানন্দ

১.বিড়ালের চোখ রাতের বেলায় জ্বল জ্বল করে কেন?

উওরঃ টেপেটাম নামক রঞ্জনক কোষের কারনে

২.টেলিস্কোপ আবিস্কার করেন কে?

উওরঃ কেপলার 

৩.মৌমাছির চাষ পদ্ধতি কে কি বলে?

উওরঃ এপিকালচার

৪.কত কিলোবাইটে এক মেগাবাইট? 

উওরঃ ১০২৪ কিলোবাইটে

৫.ATM এর পূর্ণরূপ কি?

উওরঃ Automated Teller Machine

৬.P.M পূর্ণরূপ কি?

উওরঃ post meridies

৭.A.M  এর পূর্নরূপ কি?

উওরঃ Anti Meridies

৮.মানুষের শরীরে হাড়ের সংখ্যা কত?

উওরঃ ২০৬

৯.ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপক যন্ত্রের নাম কি?

উওরঃ সিসমোগ্রাফ 

১০.টিভির রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহৃত হয় কোন তরঙ্গের মাধ্যমে? 

উওরঃ ইনফ্রারেড তরঙ্গ

কুইজ পর্ব ১৫ শেষ হলেই আয়োজন হবে প্রতিযোগিতা।তাই সবাইকে প্রশ্নগুলো সঠিক ভাবে শিখার জন্য আহ্বান করা হলো।


রামগঞ্জ উপজেলা

বাংলাদেশের লক্ষীপুর জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা রামগঞ্জ উপজেলা।১৯৮১ সালে রামগঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয়।১৯৮৩ সালের মার্চ মাসের ৩ তারিখে ইহা থানাতে পরিনত হয়। রামু নামক এক প্রভাবশালি ব্যক্তির নামে রামগঞ্জ নামকরন করা হয়। নির্বাচনি এলাকা জাতীয় সংসদ আসন ২৭৪ (লক্ষ্মীপুর-১ রামগঞ্জ)।ইহার আয়তন ১৬৯.৩১ বর্গ কিলোমিটার বা ৬৫.৩৭ বর্গমাইল। ২০১১ আদমশুমারী অনুসারে লোক সংখ্যা ৩,৪২,০২৭ জন।  তার মধ্যে ৮০,২৬৭ জন পুরুষ এবং মহিলা ৯১,০২৫ জন।জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৯২%।প্রতি বর্গকিলোমিটার ২০২০ জন বাস করে। স্বাক্ষরতার হার ৮০%।রামগঞ্জ উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১০ টি ইউনিয়ন রয়েছে।১২৬টি গ্রাম।২৪২টি মসজিদ। ২১ টি মন্দির। 

ইউনিয়ন গুলো ধারাবাহিক ভাবে দেওয়া হলো।কাঞ্চনপুর,নোওয়াগা,ভাদুর,ইছাপুর, চন্ডিপুর,লামচর,দরবেশেপুর,করপাড়া,ভোলাকোট,ভাটরা।

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো হলো

রামগঞ্জ সরকারি কলেজ। রামগঞ্জ মডেল কলেজ।


রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়-

রামগঞ্জ এম ইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় দল্টা ডিগ্রি কলেজ। দল্টা রহমানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়। ভাটরা উচ্চ বিদ্যালয়। ভাটরা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়। কালিকাপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। শ্রীরামপুর উচ্চ বিদ্যালয়। রাঘবপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

দর্শনীয় স্থানঃ

রামগঞ্জ শিশু পার্ক, কাঞ্চনপুর দর্গা, শ্যামপুর দায়রা শরীফ, রাজাপুর বিল (রাঘবপুর)।ঐদারা দীঘি,শ্রীরামপুর রাজ বাড়ি।

রামগঞ্জ সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে জানান।

আত্মনির্ভশীলতা

আমাদের সমাজে পরনির্ভরশীলতা যেন দিন দিন এক ধরনের ব্যাধিতে পরিনত হচ্ছে। মানুষের মহৎ গুনগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে আত্মনির্ভরতা। মানুষের জীবনে আত্মনির্ভরতাই উত্তম সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। তাছাড়া স্রষ্টা তাদেরকে সহায়তা করে যারা নিজেদের সহায়তা করে।প্রত্যেকেই নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে আত্মনির্ভরশীল হয়ে সমাজের অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।

আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য আগে সবার উচিৎ  তাদের সবল ও দূর্বল দিকগুলো খুঁজে নেওয়া দরকার।এর কারন হলো সব মানুষের সবকিছু করার সার্মথ্য এক নয়

আমরা সবাই জানি পরিশ্রম সফলতার চাবিকাঠি। অলসরা চিরকাল পিছিয়ে পড়ে।একজন ব্যাক্তি যখন পরিশ্রম বিমুখী হয় তখন সে সমাজের বোঝা হওয়ার পাশাপাশি একটা নিষ্ক্রিয় বস্তুতে পরিনত হয়।আত্মনির্ভরশীলতার অন্যতম শর্তহলো 

পরিশ্রমতা।

আত্মনির্ভরশীলতার অন্তরায় হচ্ছে লক্ষহীনতা এবং হতাশা।

পালবিহীন নৌকার মত অগ্রসর হতে গিয়ে  মাঝ নদীতে আছড়ে পড়তে হয়।ফলে সফলতা না পাওয়ায় সে হাতাশায় নিমগ্ন হয়।

কিন্তু বুঝতে হবে ব্যর্থতা হলো সফলতার পথনির্দেশক।

তাই আমাদের উচিৎ আত্মনির্ভরশীল হয়ে নিজেকে পরিবর্তনের পাশাপাশি সমাজের পরোক্ষ আর্বজনাকে নির্মূল করা।


আমার গল্প

আমি স্বপ্ন দেখেছি,আমার স্বপ্নের পিছনে সময় দিয়েছি।কিন্তু ব্যর্থতার বেড়াজালে আমি বার বার আটকা পড়েছি।তবুও হাল ছেড়ে নি।সে বিষয়ের সার সংক্ষেপ বলেছি আমার প্রথম পোষ্টে "সফলতার টিপস" পড়তে চাইলে,এখানে ক্লিক করুন
<a href="https://easysolutionsufal.blogspot.com/2020/11/blog-post.html?m=1"target="_ self">সফলতার টিপস</a>
জীবন নামক যুদ্ধে আমি হার না মানা সৈনিক হতে চাই। দেখিয়ে দিতে চাই আমি সফল।আমার চারপাশের মানুষ গুলোর হাসি ঠাট্টা বিদ্রুপ কে দোয়া আর ভালোবাসা হিসেবে নিতে চাই।
ব্লগার হিসেবে একটা ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরি করতে চাই।আমার ইচ্ছা যদি আমি ব্লগিং জগতে সফল হই,আমি আমার চারপাশের গাইডলাইন বিহীন জনিয়ারদের ব্লগিং এবং ফেসবুক প্রমোট এবং বুষ্টার সম্পর্কে আগ্রহী করবো।
অনেক শিক্ষার্থী প্রাইভেট বানিজ্যের চাপাকলে পড়ে তাদের পড়ালেখার সরলপথ হারিয়ে পেলে।আমি চাই আমার ব্লগের সাহায্যে যেনো দেশের যেকোন প্রান্ত থেকে যেকোনো শিক্ষার্থী শিক্ষার সুফল ভোগ করতে পারে।
যারা স্টুডেন্ট লাইফে একটু ইনকামের স্বপ্ন দেখে ব্যর্থ তাদের জন্য মেসেজ হলো আমার ব্লগ সাইট গুগুল এডসেন্স পেলে তাদের জন্য উন্মুক্ত আয়ের ব্যবস্থা থাকবে।যদি কেউ আমার স্বপ্নের ক্যানভাসে ঘুরে আসতে চান তারা এখানে ক্লিক করেন।
 <a href="https://easysolutionsufal.blogspot.com/"target="_ self">আমার স্বপ্নের ক্যানভাস<\a>
এই পোস্টি যদি কোনো ভাবে আপনাদের উপকারে আসে তাহলে কমেন্ট করুন এবং আপনাদের মূল্যবান মতামত জানান।নতুন পোষ্ট সবার আগে পেতে আমার সাইটকে ফলো করুন।
ধন্যবাদ পোস্টি পড়ার জন্য।

কৃষি এসাইনমেন্ট অষ্টম শ্রেণি ২০২০

গ)আমরা জানি,
পুকুরে মাছ ছাড়ার পূর্বে পুকুর প্রস্তুত করতে শতক প্রতি ইউরিয়া সার প্রয়োজন ১০০-১৫০ গ্রাম

অর্থাৎ
১ শতক জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োজন ১০০-১৫০ গ্রাম
সুতরাং ৫ শতক জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োজন=(১০০-১৫০)×৫
                =(৫০০-৭৫০)গ্রাম
যেহেতু মিনার বেগমের জমি ৫ শতাংশ তাই তার ৫০০-৭৫০ গ্রাম সার প্রয়োজন।

ঘ) প্রশ্ন: মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন কর।

উত্তর: মিনারা বেগমের উদ্যোগটি মিশ্র মাছ চাষ পদ্ধতি। নিম্নে এ উদ্যোগটির মূল্যায়ন করা হলাে:

উদ্দীপকের মিনারা বেগম একই পুকুরে বিভিন্ন মাছ চাষ করার উদ্যোগ নেন। যেমন: সিলভার কার্প, রুই, কাতলা ও কার্পিও ইত্যাদি। তাছাড়াও যে সব প্রজাতির মাছ রাক্ষুসে স্বভাবের নয়, খাদ্য নিয়ে প্রতিযােগিতা করে না, জলাশয়ের বিভিন্ন স্তরের খাবার গ্রহণ করে, এসব গুণের কয়েক প্রজাতির মাছ একই পুকুরের মধ্যে একত্রে চাষ করাকে মূলত মিশ্র মাছ। চাষ পদ্ধতি বলে।

এছাড়াও তিনি পুকুর প্রস্তুত করার জন্য নিম্নলিখিত ধাপ অনুসরণ করেন:

চুন প্রয়ােগ: পুকুরে তিনি চুন প্রয়ােগ করার মাধ্যমে পুকুরের পানি জীবাণু মুক্ত করে এবং পানির ঘােলাটে অবস্থা দূর করে। সার প্রয়ােগ: পুকুরের প্রাকৃতিক খাদ্যের জন্য তিনি সার প্রয়ােগ করেছেন।

এছাড়াও মৎস্য কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করার মাধ্যমে তিনি বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। উপরিউক্ত বিষয়গুলাে পর্যালােচনা করলে বােঝা যায় যে, মিনারা বেগমের উদ্যোগটি ছিল মিশ্র মাছ চাষ পদ্ধতি।

২) : পলিব্যাগে চারা তৈরী সুবিধাজনক কেন? ব্যাখ্যা কর।

উত্তর: যে নার্সারিতে পলিব্যাগে চারা উৎপাদন করা হয়ে থাকে সেই নার্সারিকে। পলিব্যাগ নার্সারি বলে। বিভিন্ন ধরনের ফল ও বনজ গাছের চারা উৎপাদনের জন্য সরাসরি বীজ অথবা অঙ্কুরিত বীজ পলিব্যাগে বপন করা যায়।

পলিব্যাগ নার্সারিতে চারা উৎপাদনের অনেক সুবিধা রয়েছে। নিম্নে সেই সুবিধাগুলাে সম্পর্কে আলােচনা করা হলাে:

(১) হালকা ও সহজেই পরিবহন করা যায়।

(২) পলিব্যাগের চারা রােপণ করা সহজ ও চারার মৃত্যুহার কম।

(৩) পলিব্যাগ উৎপাদিত চারার পরিচর্যা করা সহজ এবং পরিবহনে চারার কোনাে ক্ষতি হয় না।

(৪) যে কোনাে মাপের এবং ঘনত্বের তৈরি করা যায়।

(৫) মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হয়।

সুতরাং বলা যায়, পলিব্যাগে চারা তৈরী অনেক সুবিধাজনক।